পোস্টগুলি

বাংলার খাবার লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পোস্তবাটা ও আলুপোস্ত: বাঙালির স্বাদ, স্মৃতি ও আঞ্চলিক খাবারের গল্প

ছবি
পোস্তবাটা, আলুপোস্ত ও পোস্তবড়া: বাঙালির স্বাদ, স্মৃতি ও আঞ্চলিক রান্না এখনকার ব্যস্ত দিনে একদিনের বাঙালি হয়ে ওঠা টাই সহজ । তাই বিজ্ঞাপনে বাঙালির রসনা উৎসব - বৈশাখী / শারদ / জামাইষষ্ঠী / ভ্রাতৃদ্বিতীয়া ঘরোয়া ভোজ আর সাবেক খাওয়াদাওয়ার খোঁজ মিলবে মার্কোপোলো রেস্তোরাঁ, বৈদিক ভিলেজ, পার্ক প্লাজার কে নাইনটিন, ওহ্! ক্যালকাটা, তাজ হোটেল, আহেলী, কিউপিজ - এ । মেনু পড়লেই অর্ধেক খাওয়া হয়ে যাবে, যাক । 'শুধু ভাত আর পোস্তবাটা ব্যাস' পোস্তবাটা, আলুপোস্ত আর তাওয়ায় ভাজা পোস্তবড়া—বাঙালির গরমের আরাম, ঘরের স্বাদ আর স্মৃতির এক থালা। সূচিপত্র খাঁটি ও নিখুঁত আলুপোস্তর খোঁজে পোস্তর শুকনো ভাজা পোস্তসেদ্ধ পোস্তবড়া আঞ্চলিক জনপ্রিয়তা ও পথের স্বাদ ঐতিহাসিক সূত্র ও নন্দলাল মন্দির বাঁকুড়ার হোটেলের পোস্তর বড়া জেলার ছড়া ও লোকমুখে পোস্ত বাঙালি ঘরের পোস্তর নানাবিধ পদ মা’র রান্না ও পারিবারিক স্মৃতি পোস্ত দিয়ে তেঁতো শুকতো প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ) বাঙালির খাবারের আরও গল...

ধোঁয়া ওঠা ঘুগনি: বাঙালির সহজ রাস্তার খাবারের গল্প

ছবি
ফুচকার গল্প বললেই কলকাতার রাস্তার খাবারের কথা শেষ হয়ে যায় না। ফুচকার ঠেলার কাছেই অনেক সময় আর-একটা হাঁড়ি বসে থাকে—সেই হাঁড়ি থেকে ধোঁয়া উঠছে, ওপরে কুচোনো পেঁয়াজ, ধনেপাতা, কখনও লেবুর হালকা গন্ধ। ওটাই ঘুগনি। সময় বদলেছে, রাস্তার চেহারাও বদলেছে, শহরের হাঁটার ভঙ্গিও বদলেছে। তবু কলকাতার অনেক বিকেল এখনও যেন শুরু হয় এক বাটি গরম ঘুগনি দিয়ে। হয়তো সেই স্বাদই শহরের

কলকাতার ফুচকা : ছোটবেলার লুকিয়ে খাওয়া স্মৃতি

ছবি
উফ্ফ, কতদিন ফুচকা খাইনি — বাঙালির সেরা কান্না বোধহয় এইটাই। বাংলার বাইরে অনেকদিন থাকলেই বোঝা যায়, বাড়ি আর শহরকে মনে করার কত সহজ একটা উপায় আছে। একটা শব্দই যথেষ্ট — ফুচকা । ফুচকা মানেই শুধু রাস্তার খাবার নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে স্কুল ছুটির বিকেল, পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে বন্ধুরা মিলে লুকিয়ে খাওয়া, আর বাড়ি ফিরে বাবা-মায়ের কাছে ধরা পড়ার ভয়। মজার বিষয় হল, প্রায় সব বাঙালি বাড়িতেই ফুচকা খাওয়া নিয়ে প্রথম আপত্তিটা আসে বাবা-মায়ের কাছ থেকেই।   স্কুলের সামনে ফুচকা — অনেক বাঙালির ছোটবেলার এক চেনা বিকেল